ঢাকা, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১

শিক্ষার্থীদের মোবাইলে গেল ৫১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার বৃত্তি

:: সিটি রিপোর্ট || প্রকাশ: ২০২০-১০-০৬ ২১:৩৭:১৯

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর হতে সরকারের রাজস্ব খাতভুক্ত পিইসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি এবং স্নাতক (পাস/সম্মান) পরীক্ষাসহ মোট চারটি ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীদের ৫১,৩৬,২৮,৪৫০ টাকার বৃত্তি দিয়েছে সরকার।বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ২,৭৭,০৮৫ টি ইএফটি’র মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি বৃত্তির অর্থ প্রেরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর)এই অর্থ প্রদান করা হয়।

প্রতি বছর (ক) মেধা ও সাধারণ বৃত্তি কোটায় ১,৬৯,৬৫৯ জন (খ) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, উপজাতীয় উপবৃত্তি ৮,৭৬০ জন (গ) দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক উপবৃত্তি ১৭৩৫ জন (ঘ) বিভিন্ন পেশামূলক উপবৃত্তি ৭,২৩০ জন সহ ঘোষিত বৃত্তির সংখ্যা ১,৮৭,৩৮৪।

এ ছাড়া প্রতি বছর পূর্ব থেকে বিভিন্ন শ্রেণির চলমান বৃত্তির সংখ্যা ২,৭২,৫৬৯। চলমান ও ঘোষিত বৃত্তিসহ এক বছরে ৪,৫৯,৯৫৩ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অনলাইনে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সেবা তথা ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল সকলের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের ‘রূপকল্প-২০২১’ এর আলোকে ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে হলো অল্প সময়ে, কম পরিশ্রমে এবং স্বল্প ব্যয়ে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর নিশ্চয়তা প্রদান করা। এ লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল বৃত্তি কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। পূর্বের গতানুগতিক ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ প্রাপ্তিতে বিভিন্ন ধরণের ভোগান্তির স্বীকার হতে হতো। সরকার জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটি’র মাধ্যমে বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে ভোগান্তির নিরসন করছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বরাদ্দকৃত বৃত্তির টাকা পেয়ে যাবে এবং সরকারের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মো: নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডঃ সৈয়দ মো গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে আরও যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি।